মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টায় ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে শান্তি চুক্তি হলেও এখন মনে হচ্ছে হামাস ট্রাম্পের মাথাব্যথা হয়ে উঠতে চলেছে। হামাস সম্পর্কে একটি চমকপ্রদ খবর সামনে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। দাবি করা হচ্ছে হামাস আমেরিকা ও কানাডার কয়েকটি বিমানবন্দর হ্যাক করেছে এবং তারপর বিমানবন্দরের পর্দায় হুমকিমূলক ভিডিও চালায়।
আসলে, মঙ্গলবার (14 অক্টোবর) আমেরিকা ও কানাডার কয়েকটি বিমানবন্দরে একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। হঠাৎ পেনসিলভানিয়ার হ্যারিসবার্গ বিমানবন্দর এবং ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার কেলোনা বিমানবন্দরে হামাস জিন্দাবাদ ও মুক্ত ফিলিস্তিনের স্লোগান উঠতে শুরু করে। বিমানবন্দরে লাগানো স্পিকার থেকে এসব শব্দ আসছিল। শুধু তাই নয়, বিমানবন্দরের পর্দায় হুমকি বার্তা আসতে শুরু করে।
পুরো ব্যাপারটা কি
সিএনএন জানিয়েছে, এই পুরো বিষয়টি হ্যাকিংয়ের সাথে সম্পর্কিত। হ্যারিসবার্গ বিমানবন্দরের মুখপাত্র স্কট মিলার বলেছেন যে একজন অজানা ব্যবহারকারী বিমানবন্দরের সিস্টেম হ্যাক করেছে এবং হুমকিমূলক বার্তা পাঠিয়েছে। সতর্কতা হিসেবে ব্যবস্থাটি অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর আমেরিকা ও কানাডার সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
কেলোনা বিমানবন্দরে লাউডস্পিকারে এই কথাই শোনা যাচ্ছিল।
এই বিমানবন্দরগুলিতে এটি একটি অভ্যন্তরীণ কাজ হতে হয়েছিল। pic.twitter.com/HhW8PsL84l— রায়ান গেরিটসেন🇨🇦🇳🇱 (@ryangerritsen) 16 অক্টোবর, 2025
প্রিয় @realDonaldTrump,
কানাডার কেলোনা বিমানবন্দরে গুরুতর নিরাপত্তা লঙ্ঘন হয়েছে। হামাসের প্রোপাগান্ডা দিয়ে হ্যাক করা হয়েছে।
মার্ক কার্নি মুসলিম ব্রাদারহুডের পক্ষে দাঁড়াবেন না, তবে তাদের পক্ষে দাঁড়াবেন।
🇨🇦 বিশ্বের জন্য একটি নিরাপত্তা হুমকি।
এই বিষয়ে আপনার মনোযোগের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. pic.twitter.com/hm0DyMd3Nx
– ডালিয়া কার্টজ 15 অক্টোবর, 2025
ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য চ্যালেঞ্জ
ট্রাম্প সম্প্রতি ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে একটি চুক্তি করেছিলেন, কিন্তু এখন হামাস সমর্থকরা আমেরিকার সাইবার নিরাপত্তা লঙ্ঘন করেছে। শুক্রবার হামাসকে কড়া বার্তাও দিয়েছেন ট্রাম্প। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথে তিনি লিখেছেন, হামাস সহিংসতার পথ না ছাড়লে আমেরিকা ব্যবস্থা নেবে।





