বাংলাদেশের রাজনীতি আবারো উত্তাল। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন যে 2024 সালের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে পতনের জন্য আমেরিকা একটি ষড়যন্ত্র করেছিল। রাশিয়া টুডে (আরটি) কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন যে এই পুরো ঘটনাটি ইউএসএআইডি, ক্লিনটন ফাউন্ডেশন এবং নোবেল বিজয়ী মোহাম্মদ ইউনূসের জোটের দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। চৌধুরীর মতে, ক্লিনটন পরিবার এবং ইউএসএআইডি উন্নয়ন কর্মসূচির নামে বাংলাদেশে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের কৌশল তৈরি করেছে।
ইউএসএআইডির অর্থায়নে ২০১৮ সাল থেকে হাসিনাবিরোধী সংগঠনগুলোকে প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সাবেক মন্ত্রী। তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের নামে পশ্চিমা এনজিও এবং স্থানীয় কিছু গোষ্ঠীকে সহায়তা দেওয়া হলেও আসল উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ছড়ানো। তিনি দাবি করেন, ক্লিনটন ফাউন্ডেশন ও মোহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে পুরনো সম্পর্ক রয়েছে এবং হাসিনাবিরোধী জোটকে শক্তিশালী করতে এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়েছিল।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কীভাবে বদলে গেল?
2024 সালের জুন-জুলাই মাসে বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ তীব্র হয়। সেনাবাহিনী ব্যবস্থা নিতে অস্বীকার করলে, সরকারের দখল দুর্বল হয়ে পড়ে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় নিতে হয় এবং একই দিনে মোহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করা হয়।
শেখ হাসিনার পুরনো অভিযোগ ও বিতর্ক
শেখ হাসিনা এর আগেও আমেরিকাকে চাপের রাজনীতির অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেছিলেন যে তিনি আমেরিকান সামরিক ব্যবহারের জন্য সেন্ট মার্টিন দ্বীপ দিতে অস্বীকার করেছিলেন, যার পরে রাজনৈতিক চাপ বেড়ে যায়। ভারত ও চীন উভয়ের জন্যই কৌশলগত দিক থেকে এই দ্বীপটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন কূটনৈতিক কোন্দল
শেখ হাসিনার বিদায়ের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রভাব এখন দৃশ্যমান। হাসিনা সরকারের আমলে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার গভীর সম্পর্ক থাকলেও এখন নতুন সরকারের ঝোঁক চীন ও পাকিস্তানের দিকে।
এছাড়াও পড়ুন: তুরস্কের প্রাকৃতিক গ্যাস: ৩.০৮ লাখ কোটি টাকার গুপ্তধন পেল পাকিস্তানের বন্ধু! এটি পাওয়ার পর এরদোগানকে কী খুশি করেছে তা জেনে নিন।





